1. admin@protidinjonotarchok.com : admin :
সোমবার, ১৯ এপ্রিল ২০২১, ০৫:৩১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
গাজীপুর শ্রীপুরে লকডাউন অমান্য করার কারণে ভ্রাম্যমান আদালতের জরিমানা ভালুকায় গৃহবধূ ও এক শ্রমিকের লাশ উদ্ধার নীলফামারীর রেলওয়ের রিজার্ভ পানির ট্যাঙ্ক দখল,কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে থানায় এজাহার সুন্দরগঞ্জে ইউএনওর তদারকিতে মাঠে প্রশাসন, কঠোর ভাবে পালিত হচ্ছে লকডাউন চালকের অসচেতনতা ও বেপরোয়া গতির কারণেই প্রতিনিয়ত ঘটছে সড়ক দুর্ঘটনা সাতক্ষীরা এক বাড়িতে ২৬ মৌমাছির চাক বছরে লাখ টাকা আয় চ্যানেল আইয়ের ক্যামেরা পার্সন রমজান আলী রুবেলের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন মাওনা চৌরাস্তা বাস-মিনিবাস মালিক ও শ্রমিকদের উদ্যোগে মাস্ক বিতরণ সাংবাদকি সুমন মন্ডলরে উপর হামলার ঘটনায় গ্রফেতার ২ শ্রীপুরে সংবাদ সংগ্রহের সময় আহত হয় সাংবাদিক রমজান আলী রুবেল

শহীদ বুদ্ধিজীবী কারা?

ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট টাইম: সোমবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৫৫ বার দেখা

সরকার এখনও শহীদ বুদ্ধিজীবীর সংজ্ঞা বের করতে পারেনি। রবিবার (১৩ ডিসেম্বর) সরকার প্রাথমিকভাবে এক হাজার ২২২ জন শহীদ বুদ্ধিজীবীর তালিকা চূড়ান্ত করলেও তালিকা প্রণয়নের লক্ষ্যে চলতি বছরের ১৯ নভেম্বর মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব তপন কান্তি ঘোষকে প্রধান করে গঠিত কমিটি শহীদ বুদ্ধিজীবীর সংজ্ঞা ঠিক করতে পারেনি।

কমিটি বলেছে, সংজ্ঞার আউটলাইন ঠিক করা হয়েছে। এর সঙ্গে বাংলা একাডেমির দেওয়া সংজ্ঞা সমন্বয় করে শহীদ বুদ্ধিজীবীর সংজ্ঞা ঠিক করা হবে। কমিটির প্রথম বৈঠক সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

বাংলা একাডেমি প্রকাশিত শহীদ বুদ্ধিজীবী কোষ গ্রন্থে বুদ্ধিজীবীদের যে সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে তাতে বলা হয়েছে, ‘বুদ্ধিজীবী অর্থ লেখক, বিজ্ঞানী, চিত্রশিল্পী, কণ্ঠশিল্পী, সকল পর্যায়ের শিক্ষক, গবেষক, সাংবাদিক, রাজনীতিক, আইনজীবী, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, স্থপতি, ভাস্কর, সরকারি ও বেসরকারি কর্মচারী, চলচ্চিত্র ও নাটকের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, সমাজসেবী ও সংস্কৃতিসেবী।’

বাংলাপিডিয়া থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী দেশে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে শিক্ষাবিদ ৯৯১, সাংবাদিক ১৩ জন, চিকিৎসক ৪৯ জন, আইনজীবী ৪২ জন এবং অন্যান্য (সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, শিল্পী এবং প্রকৌশলী) ১৬ জন। এর মধ্যে শহীদ শিক্ষাবিদ (বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয় এমন) ৯৬৮জন এবং শহীদ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ২১ জন। মোট শহীদ শিক্ষাবিদ ৯৮৯ জন।

জানা গেছে, ১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে স্বাধীনতা যুদ্ধের শেষপর্যায়ে এসে পাকিস্তান বাহিনী যখন বুঝতে শুরু করে যে তাদের পক্ষে যুদ্ধে জেতা সম্ভব নয়, তখন তারা নবগঠিত দেশকে সাংস্কৃতিক, সামাজিক ও শিক্ষাগত দিক থেকে অঙ্কুরেই দুর্বল করে দিতে এক হত্যাযজ্ঞের পরিকল্পনা করে। পরিকল্পনা অনুযায়ী ১৪ ডিসেম্বর রাতে পাকিস্তানি বাহিনী তাদের এ দেশীয় দোসর রাজাকার, আলবদর ও আল শামস বাহিনীর সহায়তায় দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের তাদের বাসা থেকে তুলে এনে নির্মম নির্যাতনের পর হত্যা করে। পরিকল্পিত গণহত্যাটি বাংলাদেশের ইতিহাসে বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড নামে পরিচিত। বন্দি অবস্থায়ও বুদ্ধিজীবীদের বিভিন্ন বধ্যভূমিতে নিয়ে হত্যা করা হয়।

এই ঘটনার দুদিন পর দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তাদের ক্ষত-বিক্ষত ও বিকৃত লাশ রায়েরবাজার এবং মিরপুর বধ্যভূমিতে পাওয়া যায়। অনেকের লাশ শনাক্তও করা যায়নি। পাওয়া যায়নি বহু লাশ। এ নির্মম হত্যাকাণ্ডের কথা স্মরণ করে প্রতিবছর ১৪ ডিসেম্বর বাংলাদেশে পালিত হয় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। বুদ্ধিজীবী হত্যার স্মরণে বাংলাদেশের ঢাকায় বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ ডাকবিভাগ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে একটি স্মারক ডাকটিকিটের সিরিজ বের করেছে।

রবিবার (১৩ ডিসেম্বর) সরকার প্রাথমিকভাবে এক হাজার ২২২জন শহীদ বুদ্ধিজীবীর তালিকাও চূড়ান্ত করেছে। সরকার এ তালিকা প্রাথমিকভাবে অনুমোদনও করেছে। শহীদ বুদ্ধিজীবীদের তালিকা প্রণয়নে গঠিত কমিটির প্রথম সভায় এ তালিকা অনুমোদন দেওয়া হয়। চলতি মাসেই আনুষ্ঠানিকভাবে এ তালিকা প্রকাশ করা হবে। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। যাচাই বাছাই শর্তে এ তালিকা ভবিষ্যতে আরও সমৃদ্ধ হবে। এমনটি জানিয়েছেন, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।

উল্লেখ্য, শহীদ বুদ্ধিজীবীদের তালিকা প্রণয়নের লক্ষ্যে চলতি বছরের ১৯ নভেম্বর মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব তপন কান্তি ঘোষকে সভাপতি করে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে অতিরিক্ত সচিব মো. শহীদুল হক ভূঁঞা সদস্য ও উপসচিব রথীন্দ্রনাথ দত্ত সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বলে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়।

সরকার গঠিত কমিটিতে গবেষক সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন, ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবির, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেজবাহ কামাল, গণহত্যা-নির্যাতন আর্কাইভ ও জাদুঘরের ট্রাস্টি চৌধুরী শহীদ কাদের, নিপসমের পরিচালক বায়েজিদ খুরশীদ রিয়াজ এবং গণহত্যা-নির্যাতন আর্কাইভ ও জাদুঘরের গবেষক গাজী সালাউদ্দিন। বীর মুক্তিযোদ্ধা সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন চলচ্চিত্র নির্মাতা ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব বীর মুক্তিযোদ্ধা নাসির উদ্দীন ইউসুফ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও গবেষক অবসরপ্রাপ্ত লে. কর্নেল কাজী সাজ্জাদ জহির (বীরপ্রতীক)।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, শহীদ বুদ্ধিজীবীদের নামের তালিকা যাচাই-বাছাই করে তাঁদের নাম, পিতার নাম, ঠিকানাসহ মতামত প্রদানের লক্ষ্যে এ কমিটি কাজ করবে। কমিটি মুক্তিযুদ্ধকালীন শহীদদের মধ্যে কারা শহীদ বুদ্ধিজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবেন, তার সংজ্ঞা নির্ধারণ করবে।

বিভিন্ন গবেষণাগ্রন্থ, পত্রিকা কাটিং, টিভি রিপোর্ট, অন্যান্য সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য যাচাই-বাছাই করে এ তালিকা প্রস্তুত করবেন। এ ছাড়া কমিটি বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, সংস্থা, জেলা, উপজেলা ও অন্যান্য সূত্র থেকে প্রাপ্ত ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গের আবেদন যাচাই-বাছাই করবে ও তালিকায় অন্তর্ভুক্তির সুপারিশ করবে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, শহীদ বুদ্ধিজীবীদের নামের তালিকা যাচাই-বাছাই করে তাঁদের নাম, পিতার নাম, ঠিকানাসহ মতামত প্রদানের লক্ষ্যে এ কমিটি কাজ করবে। কমিটি মুক্তিযুদ্ধকালীন শহীদদের মধ্যে কারা শহীদ বুদ্ধিজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবেন, তার সংজ্ঞা নির্ধারণ করবে।

এ প্রসঙ্গে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক জানিয়েছেন, সরকার গঠিত কমিটি প্রথম সভায় ১ হাজার ২২২ জন শহীদ বুদ্ধিজীবীর নাম চূড়ান্ত করেছে। আগামী সভায় লিখিত আকারে তালিকা উপস্থাপন করা হবে। সেখানে এটি অনুমোদন হবে।

কীসের ভিত্তিতে নামের তালিকা প্রাথমিকভাবে চূড়ান্ত করলেন- এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, ১৯৭২ সালে এক হাজার ৭০ জন শহীদের তালিকা হয়েছিল। পরে ডাকবিভাগ ১৫২ জন শহীদের ডাকটিকিট প্রকাশ করেছিল। এভাবে ১২২২ জন হয়েছে। সেই তালিকাকে আমরা অনুমোদন দিয়েছি।

উল্লেখ্য, ২৫ মার্চ থেকে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত বেশ কয়েকজন স্বনামধন্য বুদ্ধিজীবী পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর হাতে প্রাণ হারান। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. গোবিন্দ চন্দ্র দেব, ড. মুনীর চৌধুরী, ড. মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী, ড. আনোয়ার পাশা, ড. আবুল খায়ের, ড. জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা, ড. সিরাজুল হক খান, ড. এ এন এম ফাইজুল মাহী, হুমায়ুন কবীর, রাশিদুল হাসান, সাজিদুল হাসান, ফজলুর রহমান খান, এন এম মনিরুজ্জামান এ মুকতাদির, শরাফত আলী, এ আর কে খাদেম, অনুদ্বৈপায়ন ভট্টাচার্য, এম এ সাদেক, এম সাদত আলী, সন্তোষচন্দ্র ভট্টাচার্য, গিয়াসউদ্দিন আহমদ, এম মর্তুজা। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. হবিবুর রহমান, ড. শ্রী সুখারঞ্জন সমাদ্দার, মীর আবদুল কাইউম।

চিকিৎসকদের মধ্যে অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ ফজলে রাব্বি, অধ্যাপক ডা. আব্দুল আলিম চৌধুরী, অধ্যাপক ডা. শামসুদ্দীন আহমেদ, ডা. হুমায়ুন কবীর, ডা. আজহারুল হক, ডা. সোলায়মান খান, ডা. আয়শা বদেরা চৌধুরী, ডা. কসির উদ্দিন তালুকদার, ডা. মনসুর আলী, ডা. মোহাম্মদ মোর্তজা, ডা. মফিজউদ্দীন খান, ডা. জাহাঙ্গীর, ডা. নুরুল ইমাম, ডা. এস কে লালা, ডা. হেমচন্দ্র বসাক, ডা. ওবায়দুল হক, ডা. আসাদুল হক, ডা. মোসাব্বের আহমেদ, ডা. আজহারুল হক, ডা. মোহাম্মদ শফী। সাংবাদিকদের মধ্যে শহীদুল্লাহ কায়সার, নিজামুদ্দীন আহমেদ, সেলিনা পারভীন, সিরাজুদ্দীন হোসেন, আ ন ম গোলাম মুস্তফা।

গীতিকার ও সুরকার আলতাফ মাহমুদ, রাজনীতিবিদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত, সমাজসেবক এবং দানবীর রণদাপ্রসাদ সাহা (আরপি সাহা), শিক্ষাবিদ, আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক যাগেশ চন্দ্র ঘোষ, লেখক, চলচ্চিত্রকার জহির রায়হান, কবি মেহেরুন্নেসা, শিক্ষাবিদ, গণিতজ্ঞ ড. আবুল কালাম আজাদ, আইনজীবী নজমুল হক সরকার ও সমাজসেবক, আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক নূতন চন্দ্র সিংহ।

এ প্রসঙ্গে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির আহবায়র শাহরিয়ার কবির জানিয়েছেন, এই তালিকা অনেক বড় হবে, কারণ বাংলা একাডেমির বুদ্ধিজীবী কোষ, বাংলাদেশ ডকুমেন্ট, বাংলাপিডিয়া, ডাকবিভাগ ছাড়াও আরও তালিকা রয়েছে। জহির রায়হানকে বিএনপি-জামাত সরকার কোনও তালিকায় রাখেনি। কারণ ভাই মুনীর চৌধুরীকে খুঁজতে গিয়ে জহির রায়হান শহীদ হয়েছেন ১৬ ডিসেম্বরের পরে। এ কারণে সরকার গঠিত কমিটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে ২৫ মার্চ থেকে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত শহীদদের তালিকা করা হবে। কারন ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত মিরপুর পাকিস্তানি শত্রু কবলিত ছিল। মিরপুর ছিল মুক্তিযুদ্ধের শেষ রণাঙ্গন।

 

সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

আজকের বাংলা তারিখ

  • আজ সোমবার, ১৯শে এপ্রিল, ২০২১ ইং
  • ৬ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ (গ্রীষ্মকাল)
  • ৬ই রমজান, ১৪৪২ হিজরী
  • এখন সময়, বিকাল ৫:৩১

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস

সর্বমোট

আক্রান্ত
৭১৮,৯৫০
সুস্থ
৬১৪,৯৩৬
মৃত্যু
১০,৩৮৫
সূত্র: আইইডিসিআর

সর্বশেষ

আক্রান্ত
সুস্থ
মৃত্যু
স্পন্সর: একতা হোস্ট

পুরাতন সংবাদ

April ২০২১
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Mar    
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০  

নামাযের সময়সূচি

    Dhaka, Bangladesh
    সোমবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২১
    ওয়াক্তসময়
    সুবহে সাদিকভোর ৪:১৬
    সূর্যোদয়ভোর ৫:৩৪
    যোহরদুপুর ১১:৫৮
    আছরবিকাল ৩:২৫
    মাগরিবসন্ধ্যা ৬:২১
    এশা রাত ৭:৪০
© All rights reserved © protidinjonotarchok.com
সাইট ডিজাইনার সালিকিন মিয়া সাগর-01867010788