1. admin@protidinjonotarchok.com : admin :
রবিবার, ২৫ জুলাই ২০২১, ১২:০৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
শ্রীপুরে গায়ে পেট্রোল ঢেলে জ্বলছে দিয়ে দোকানে ভাংচুর ও লুটপাট গাজীপুরের হামলার শিকার সেই ছাত্র নেতা মাসুমের মৃত্যু! পীরগঞ্জে অসহায়দের মাঝে ঈদুল আজহা উপলক্ষে গোস্ত বিতরণ করা হয় কোরবানির মাংস ভাগাভাগিতে ব্যস্ত যশোরের মানুষ রংপুরের পীরগঞ্জে বিএনপির ত্বত্তাবধানে করোনা পর্যবেক্ষণ সেল ও হেল্প সেন্টার এর শুভ উদ্ভোদন বরগুনা বেতাগীতে সাবেক ইউপি সদস্যকে পিটিয়ে হত্যা করোনা মহামারীতে ১০০ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন,কাশিপুর আদর্শ যুব সংঘ ও পাঠাগার করোনা মহামারীতে ১০০ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন,কাশিপুর আদর্শ যুব সংঘ ও পাঠাগার কলারোয়ায় সেবা’র কার্যক্রম এগিয়ে নিতে জাপা নেতা মশিউর রহমানের আর্থিক সহায়তা প্রদান পবিত্র  ঈদুল আযহা’র শুভেচ্ছা জানিয়েছেন  শারফুল ইসলাম

সাবেক ইউএনও মৌসুমী জেরিনের দূর্নীতি,সাতক্ষীরায় প্রধান মন্ত্রীর আশ্রায়ন প্রকল্পের সাতটি ঘর রাতের আঁধারে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিলো

ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট টাইম: সোমবার, ১২ জুলাই, ২০২১
  • ১৮ বার দেখা

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:-সাতক্ষীরার কলারোয়ায় প্রধান মন্ত্রীর আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য নির্মিত ৭টি ঘর রাতের আঁধারে স্কেভেটর দিয়ে ভেঙে সরিয়ে ফেলা হয়েছে। ৭-৮ দিন আগে থেকে উপজেলার ৪নং লাঙ্গলঝাড়া ইউনিয়নের তৈলকুপি গ্রামের আশ্রয়ণ প্রকল্পের এই ঘরগুলো ভেঙ্গে সরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়। তবে প্রকল্পে নির্মিত ১৩টি ঘরের মধ্যে বাদবাকি ছয়টি ঘর নির্মাণ শেষ হওয়ার আগেই সাতটি ঘর ভেঙে সরানো হলো। সদ্য বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মৌসুমি জেরিন কান্তার অনিয়ম- দূর্নীতি আড়াল করতেই এ ঘরগুলো ভাঙা হয়েছে বলে মনে করছেন এলাকার অনেকেই।

লাঙ্গলঝাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য শরিফুল ইসলাম বলেন, ঘরগুলো সরিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত দরজা-জানালাগুলো অন্য একটি ঘরের মধ্যে রাখা হয়েছে। বর্তমান উপজেলা নির্বাহী অফিসার জুবায়ের হোসেন চৌধুরীকে জিজ্ঞাসা করলাম স্যার কি হচ্ছে ? তখন তিনি জানালেন, এ সব ঘরে লোকজন তুলে দিলে প্রানহানির আশংকা রয়েছে। তাই ঘরগুলো সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

স্থানীয় ৪নং লাঙ্গলঝাড়ার ইউপি চেয়ারম্যান নূরুল ইসলাম বলেন, মজিববর্ষ উপলক্ষে আমার ইউনিয়নে তৈলকুপি গ্রামের খাস জমিতে ভূমিহীন ও গৃহহীন মানুষের জন্য দুই সারিতে মোট ১৩ টি ঘন নির্মান করা হয়। এক পাশে সাতটি এবং অপর পাশে ৬টি। এর প্রতিটি প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছিল ১ লাখ ৭১ হাজার টাকা। কিন্তু পাশে পুকুর থেকে বালি তোলার কারণে সাতটি ঘর ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। ফলে হতদরিদ্রদের জন্য এসব ঘর তৈরী করা হলেও তাদের বুঝিয়ে দেওয়ার আগেই সেই ঘরগুলো ভেঙে অন্যত্র নেওয়া হয়েছে।

ওই প্রকল্পে ডিজাইন বর্হিভূত জোড়াঘর নির্মাণের বিষয়ে জানতে চাইলে কলারোয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সুলতানা জাহান বলেন, তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মৌসুমী জেরীন কান্তার সময় উপজেলায় প্রধান মন্ত্রীর আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য ১২০ টি ঘরের মধ্যে ডিজাইন অনুসরন না করে ৪০ টি জোড়াঘর নির্মাণ করা হয়। ঘরের কাজ শুরু করার আগেই আমাকে না জানিয়ে ঘর নির্মাণের জন্য রড,বালি, সিমেন্ট, ইট, কাঠ, ঢিউটিন ক্রয় করা হয়। আর এসব তিনি তার কার্যালয় থেকে মিস্ত্রী সুবাসের মাধ্যমে ঘর নির্মাণ স্থানসমূহে সরবরাহ করতেন। এমনকি ডিজাইন বর্হিভূতভাবে ৪০ টি জোড়া ঘরের প্লান করা হয়। আমার অনুপস্থিতিতে ও তথ্য গোপন রেখে এসবকিছু করা হয়। পরবর্তীতে আমি জানতে পেরে, ঐ প্রকল্পের সদস্য-সচিব হিসেবে বাধা প্রদান করি তখন সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মহোদয় বলেন, উপকারভোগী নির্বাচন, স্থান নির্বাচন, লে-আউট প্রদান, মালামাল ক্রয়সহ আপনার কোনকিছু দেখার বা মন্তব্য করার দরকার নেই।তারপরও আমি উপজেলা চেয়ারম্যান মহোদয় ও মিস্ত্রী সুবাসের উপস্থিতিতে ডিজাইন অনুযায়ী আলাদা আলাদা করে ঘর নির্মাণ করতে হবে বলা মাত্রই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মহোদয় স্পষ্ট করে বলে দেন, আপনার কাজ কেবলমাত্র মিস্ত্রী সুবাসের নিকট থেকে কয়টি ঘর নির্মাণ হলো এটা বুঝে নেয়া এবং বিলে স্বাক্ষর করা। এরপর বিষয়টি আমি তাৎক্ষণিকভাবে সদ্য বিদায়ী জেলা প্রশাসক মহোদয়কে মৌখিকভাবে কয়েকবার অবহিত করি। এমনকি লিখিতভাবেও জানায়। এর ফলে আমাকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মহোদয় ঘর তদারকি করে প্রতিবেদন জমা দেয়া নিয়ে কারণে অকারণে হয়রানিমূলক শোকজও করেন।

বর্তমান উপজেলা নির্বাহী অফিসার জুবায়ের হোসেন চৌধুরী বলেন, ঘরগুলো তার আগের ইউএনও নির্মাণ করেছেন। দুর্নীতি ঢাকতে নয়, ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে নির্মাণের কারণে ঘরগুলো সরানো হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, ঘরগুলো পুকুরের পাড়ে নির্মাণ করা হয়েছিল। পরে পুকুরে প্যানাসাইডিং দিয়ে ঘরগুলো বাঁচানোর চেষ্টা করা হয়। কিন্তু তাতেও তেমন কোনো ফল না পেয়ে পরিষদের সবার সাথে আলোচনা করে ঘরগুলো ভেঙে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিই। পরে ঘরগুলো ভেঙ্গে পাশে ৬ নং সোনাবাড়িয়া ইউনিয়নে ভাদিয়ালী গ্রামে ৪২ শতক খাস জমি পাওয়ায় সেখানে ঘরগুলো নির্মাণের জন্য নেওয়া হয়।

আর্থিক অপচয়ের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বসবাসকারীদের জীবনের ঝুঁকির কথা বিবেচনা করে ঘরগুলো সরানো হয়েছে। এখানে টাকার চেয়ে জীবনের কথা বেশি বিবেচনা করা হয়েছে। এমনকি ঘর ভেঙ্গে সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি ভূমিহীনরাও সম্মতি দিয়েছেন।

সাবেক উপজেলা নির্বাহী অফিসার মৌসুমী জেরিন কান্তার ব্যক্তিগত ০১৭৮৬-২৭১২৬০ মোবাইলে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, আমরা স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানসহ যখন ওই স্থানটি নির্বাচন করেছিলাম তখন ওখানে এটেল মাটিসহ ভালই মনে করেছিলাম। পরবর্তীতে দেখা যায় পাশের পুকুর থেকে বালি উত্তোলন করায় ঘরের পাশের মাটি ধসে পড়ছে। তাই বর্তমান উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওই ঘরগুলো ঝুকি মনে করে ঘরগুলো ভেঙ্গে সরিয়ে ফেলেছেন। তাছাড়া এ প্রকল্পে আমাদের মাটি পরীক্ষা করার মতো দক্ষ ব্যক্তি ছিলেন না। কেবল মাত্র উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মাটি পরীক্ষার জন্য দায়িত্বে ছিলেন। এ কারণে আমরা বুঝতে পারি নাই যে ওই মাটি ধসে পড়বে।

কলারোয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম লাল্টু জানান, তৈলকুপি গ্রামে ঘর নির্মাণ করা হয় পুকুরের পাড়ে। সদ্য বদলি হওয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মৌসুমি জেরিন কান্তা দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে ঘরগুলো নির্মাণ করেন। ফলে অল্প দিনেই ঘরগুলো ধসে পড়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। ওই স্থানে ঘর নির্মানের জন্য আমি ও উপজেলা বাস্তবায়ন কর্মকর্তা বাধা দিয়ে ছিলাম। তারপরেও তিনি ওই স্থানে ঘর নির্মান করেছেন। তাছাড়া ইতোমধ্যে ঘরগুলো টিকিয়ে রাখার জন্য পুকুর ভরাটের জন্য আরো ছয় লাখ টাকা খরচ করা হয় উপজেলা অফিস থেকে। কিন্তু তাতেও কোনো লাভ হয়নি। তাই সম্প্রতি কয়েকদিন ধরে সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরগুলো ভেঙে রাতারাতিই ইটসহ বিভিন্ন মালামাল সরিয়ে ফেলা হয়েছে বলে তিনি জানান। এভাবে তিনি উক্ত প্রকল্পের ১২০টি ঘরই নিজের ইচ্ছামত নির্মান করেছেন। কোন ঘরেই তিনি সঠিকভাবে মালামাল দেননি বলে তিনি জানান। তাই এই প্রকল্পে নির্মিত ঘরগুলো সম্পর্কে সঠিক তদন্ত করে প্রধান মন্ত্রীর নিকট ওই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মৌসুমী জেরিন কান্তাকে দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তির আহবানও জানান তিনি।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

আজকের বাংলা তারিখ

  • আজ রবিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২১ ইং
  • ১০ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ (বর্ষাকাল)
  • ১৪ই জ্বিলহজ্জ, ১৪৪২ হিজরী
  • এখন সময়, দুপুর ১২:০৪

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস

সর্বমোট

আক্রান্ত
১,১৫৩,৩৪৪
সুস্থ
৯৮৮,৩৩৯
মৃত্যু
১৯,০৪৬
সূত্র: আইইডিসিআর

সর্বশেষ

আক্রান্ত
সুস্থ
মৃত্যু
স্পন্সর: একতা হোস্ট

পুরাতন সংবাদ

July ২০২১
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Jun    
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  

নামাযের সময়সূচি

    Dhaka, Bangladesh
    রবিবার, ২৫ জুলাই, ২০২১
    ওয়াক্তসময়
    সুবহে সাদিকভোর ৪:০১
    সূর্যোদয়ভোর ৫:২৫
    যোহরদুপুর ১২:০৫
    আছরবিকাল ৩:২৭
    মাগরিবসন্ধ্যা ৬:৪৫
    এশা রাত ৮:০৯
© All rights reserved © protidinjonotarchok.com
সাইট ডিজাইনার সালিকিন মিয়া সাগর-01867010788